Thursday, March 26, 2020

সেই কবিতার কবি


মিদহাদ আহমদ

নিরবধি পৃথিবীর নিয়ম, মানিয়ে চলা, মানিয়ে নেওয়া। কিছু কিছু মানুষের জন্যই পৃথিবীর অমৃতসম প্রাণোচ্ছলা জাগ্রত হয় বারবার।

মামুন সুলতান। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। ধরিত্রীর বুকে যে কয়জন মানুষকে ভুলে যাওয়াটা শুধু পাপ নয়, বরং জীবনের সবচাইতে বড়ো সীমালঙ্ঘন কাজ হবে; তাঁদের মধ্যেই তিনি একজন।

কলম চললে, চলতেই থাকবে। বন্ধ হবার কিংবা বন্ধ করার প্রয়াস, কোনটাই আমার নেই। এই সীমাবদ্ধতায় খুব একটা বেশি বলাও চলবেনা। শুধু এ টুকুই বলার, আমার প্রিয় মানুষরা, আজীবন আমার মাথার উপরের ছায়া হিসেবে থাকুক।

কিছু দিন আগে চলে গেলো স্যারের জন্ম দিন।  স্যারের মতো আবৃত্তি করার ক্ষমতা আমার নেই। নেই কবিতা লেখার সামান্য জ্ঞান, তবুও কবিতার সুরে কয়েকলাইন লেখার অপচেষ্টা।এইটা আমার পক্ষ থেকে আবৃত্তি করে; জন্মদিনের ক্ষুদ্র এই আমার উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন গুরু।
"জন্মতেই যাঁর  প্রাণোচ্ছল অঙ্কুরের বিকাশ
যাঁর কথামালার ঝংকার; মনে হয় অমৃতের নন্দন
যাঁর  ছায়াছয় মানব অধ্যায়, এবং কবিত্ব
তাঁর  সাথে সাথে শিক্ষার প্রসারতার প্রসারক 
জন্মদিনে এই কামনাই,
শুদ্ধতার ছায়া আজীবন চাই
বৃষ্টি দিনের একঘেয়েমি জরাজীর্ণতা 
কখনোই আসুক না ধরিত্রীর সাধনায়
তবে এই জীর্ণতা আসুক
যেই জীর্ণতায় বেঁচে থাকবো আমি।
কারো'র কবিতা হয়ে।
আর সেই কবিতার কবি
হয়তোবা,
মামুন সুলতান♥


শেয়ার করুন

Author:

0 coment rios:

You can comment here