Saturday, April 25, 2020

সৃষ্টির সেবায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি: প্রসঙ্গ মানব প্রেম


 

।। মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।।

পৃথিবীতে যত সৃষ্টি আছে সব কিছু মিলিয়েই বিশ্ব প্রতিপালকের সাজানো একটা পরিবার। স্রষ্টা বা রবের সন্তুষ্টি অর্জন করতে হলে, তাঁর ভালোবাসা লাভ করতে হলে অন্যতম দায়িত্ব হলো তাঁর সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসা। হাদীসে এসেছে-
﴿حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، ومسدد، - المعنى - قالا حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابي قابوس، مولى لعبد الله بن عمرو عن عبد الله بن عمرو، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الراحمون يرحمهم الرحمن ارحموا اهل الارض يرحمكم من في السماء ‏"‏ ‏.‏ لم يقل مسدد مولى عبد الله بن عمرو وقال قال النبي صلى الله عليه وسلم
অর্থাৎ, “রহমকারীদের উপর আল্লাহ্‌ রহম করেন। তোমরা যমীনবাসীদের উপর রহম করো, তাহলে আসমানের অধিপতি আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর রহম করবেন।” (সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮৫৭, হাদীসটি সহীহ)
 
এখানে নিশ্চয় কোনো সন্দেহ নেই যে, আল্লাহ্ তা'লার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে মানুষের স্থান সবার উপরে তথা মানুষই সর্বোত্তম সৃষ্টি। তাই মানুষের সেবা ও সাহায্যে এগিয়ে আসা এবং তাদের প্রতি কল্যাণ ও উপকারের হাত বাড়িয়ে দেয়া বিবেকের দাবি। মানব সেবা বিষয়টিকে সব ধর্মেই গুরুত্ব দিয়েছে, অথচ অনেক ধার্মিক এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে অসচেতন।

একজন মুসলিম হিসেবে আমরা একথা নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করি যে, পরকালীন জীবনে আমাদেরকে মহান রবের সামনে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর দায়িত্ব-কর্তব্যের জবাবদিহি হতে হবে। এমন কঠিন মুহূর্তে যখন আবশ্যক পালনীয় নির্দেশনা তথা নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব দিতে অক্ষম হব তখন সৃষ্টির সেবা জাতীয় বিভিন্ন আমল আমাদের মুক্তির জন্য সাহায্য করবে। তাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সব রকমের জাগতিক প্রয়োজনে সাহায্য করা, বিপদে পড়লে উদ্ধার করা এবং সকল প্রকার মানব সেবামূলক কাজ করা একজন ধার্মিক মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

আমাদের একটা সাধারণ ধারণা হয়ে গেছে যে, মানব সেবা মনে হয় শুধু বিত্তবানদের কাজ। বিত্তশালীরা গরীবদের সাহায্য করবে এটাই বুঝি মানব সেবা। না, বিষয়টি মোটেই তা নয়। পৃথিবীর সকল মানুষকেই মানব সেবায় জড়ানো উচিত। তবে সবার জড়ানোটা একপর্যায়ের না। কারোটা সমাজকেন্দ্রিক, কারোটা দেশকেন্দ্রীক আর কারোটা ব্যক্তিকেন্দ্রিক।
 
সৃষ্টির প্রতি সেবা করার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। মানুষের এই সেবা করার মানসিকতা থাকলে অন্যের আত্মিক সেবা, শারীরিক সেবার পাশাপাশি রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন ইত্যাদি বিষয়েই সেবক ও কল্যাণকামী হওয়া যায়।

স্মরণ রাখতে হবে, কেবল মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই সৃষ্টির সেবা করতে হবে। সেবার প্রতিদান সৃষ্টির কাছ থেকে নয় স্রষ্টার কাছ থেকেই আশা করতে হবে। আপনি যে অবস্থানে আছেন সে অবস্থানে থেকেই মানুষের সেবা করে যাবেন এটাই আপনার মানবিকতা এবং স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা
আল্লাহ্ তা'লা বলেন-
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُمْ مِنْ الأَرْضِ إِلَى قَوْلِهِ أَنَّ اللهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ﴾
অর্থাৎ, “হে মুমিনগণ! তোমরা যা উপার্জন কর এবং আমি যা ভূমি হতে তোমাদের জন্য উৎপাদন করে দেই, তন্মধ্যে যা উৎকৃষ্ট, তা (মানুষের কল্যাণে) ব্যয় করো, তা হতে নিকৃষ্ট বস্তু দান করার ইচ্ছা করো না। (কেননা) তোমরা নিজেরাও তো ঐরূপ বস্তু (কারো নিকট হতে) ভ্রুকুঞ্চিত না করে নিতে চাও না এবং জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাসম্পদশালী, প্রশংসিত।” (আল-বাকারা, আয়াতঃ ২৬৭)
রাসুলুল্লাহ'র (সা.) সাহাবী আবূ মূসা আশআরী রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে  হাদীস বর্ণনা করে বলেন-
﴿حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ صَدَقَةٌ فَقَالُوا يَا نَبِيَّ اللهِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ قَالَ يَعْمَلُ بِيَدِهِ فَيَنْفَعُ نَفْسَهُ وَيَتَصَدَّقُ قَالُوا فَإِنْ لَمْ يَجِدْ قَالَ يُعِينُ ذَا الْحَاجَةِ الْمَلْهُوفَ قَالُوا فَإِنْ لَمْ يَجِدْ قَالَ فَلْيَعْمَلْ بِالْمَعْرُوفِ وَلْيُمْسِكْ عَنْ الشَّرِّ فَإِنَّهَا لَهُ صَدَقَةٌ﴾
অর্থাৎ, “প্রতিটি মুসলিমের সদাকাহ (মানব কল্যাণে ব্যয়) করা উচিত। সাহাবীগণ আরয করলেন, কেউ যদি সদাকাহ দেয়ার মত কিছু না পায়? (তিনি উত্তরে) বললেনঃ সে ব্যক্তি নিজ হাতে কাজ করবে এতে নিজেও লাভবান হবে, সদাকাহও করতে পারবে। তাঁরা বললেন, যদি এরও ক্ষমতা না থাকে? তিনি বললেনঃ কোনো বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করবে। তাঁরা বললেন, যদি এতটুকুরও সামর্থ্য না থাকে? তিনি বললেনঃ এ অবস্থায় সে যেন সৎ আমল করে এবং অন্যায় কাজ হতে বিরত থাকে। এটা তার জন্য সদাকাহ বলে গণ্য হবে।” (বুখারী, আস সহীহ, খণ্ড-৫, পৃ. ২৭৫, হাদীস নং১৩৫৩)

কী বুঝলেন? শুধু সম্পদ থাকাই মানব সেবার মানদণ্ড? না, মোটেই তা নয়। প্রথমত জমানো সম্পদ থেকে ব্যয় করা। জমানো না থাকলে উপার্জন করে ব্যয় করা। উপার্জনে অক্ষম হলে কারো বিপদে বুদ্ধি, সাহস বা পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা। এটুকু সামর্থ্যও না থাকলে অন্তত অন্যকে সৎ উপদেশ দেয়াও মানব সেবার মধ্যে গণ্য।
 
এখন কথা হলো আমি কেন মানব সেবা করব। আমার বেনিফিট কী? তার আগে আপনি আমাকে বলুন আপনি কি ধরণের বেনিফিট চান? আপনি শুধু ইহকালীন বেনিফিটেড হতে চান নাকি ইহকাল-পরকাল উভয় জগতে বেনিফিটেড হতে চান?

আপনার উত্তর যদি প্রথমটি হয় তাহলে একটু কষ্ট করে আপনাকে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। আর উত্তর যদি শেষাংশ হয় তাহলে আপনি আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসুলের কথাগুলো শুনে নিন-

(ক) আপনি সৃষ্টির সেবা করছেন অর্থ হলো আল্লাহকে ভালোবাসেন-আল্লাহ্ তা'লা বলেন-
﴿وَيُطعِمونَ الطَّعامَ عَلىٰ حُبِّهِ مِسكينًا وَيَتيمًا وَأَسيرًا إِنَّما نُطعِمُكُم لِوَجهِ اللَّهِ لا نُريدُ مِنكُم جَزاءً وَلا شُكورًا﴾
অর্থাৎ, “তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে। তারা বলে, কেবল  আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না।” (সূরা আদ-দাহর, আয়াতঃ ৮-৯)
(খ) আমাদের সকলেরই আল্লাহ্ তা'লার দয়া কাম্য। আমরা যদি মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি তাহলে আল্লাহর দয়ার আশা করতে পারি। যেমন হাদীসে এসেছে-
﴿حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ ابْنَةً لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْسَلَتْ إِلَيْهِ وَأَنَا مَعَهُ وَسَعْدٌ وَأَحْسَبُ أُبَيًّا أَنَّ ابْنِي أَوْ بِنْتِي قَدْ حُضِرَ فَاشْهَدْنَا فَأَرْسَلَ يُقْرِئُ السَّلَامَ فَقَالَ قُلْ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَمَا أَعْطَى وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ إِلَى أَجَلٍ فَأَرْسَلَتْ تُقْسِمُ عَلَيْهِ فَأَتَاهَا فَوُضِعَ الصَّبِيُّ فِي حِجْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَفْسُهُ تَقَعْقَعُ فَفَاضَتْ عَيْنَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ سَعْدٌ مَا هَذَا قَالَ إِنَّهَا رَحْمَةٌ وَضَعَهَا اللَّهُ فِي قُلُوبِ مَنْ يَشَاءُ وَإِنَّمَا يَرْحَمُ اللَّهُ مِنْ عِبَادِهِ الرُّحَمَاءَ﴾
 হাদীসে সারকথা হলো- “আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের মধ্যে একমাত্র দয়ালুদের প্রতিই দয়া করে থাকেন।” (সুনানু আবি দাউদ, খণ্ড-৮,  পৃ. ৩৯৩ হাদীস নং ২৭১৮)
(গ) মানুষের সেবার কারণে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'লা বান্দার ত্রুটিগুলো গোপন করার আশ্বাস দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে-
﴿حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن عقيل، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ المسلم اخو المسلم لا يظلمه ولا يسلمه من كان في حاجة اخيه فان الله في حاجته ومن فرج عن مسلم كربة فرج الله عنه بها كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله يوم القيامة ‏"‏ ‏﴾
অর্থাৎ, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই স্বরূপ। কাজেই কেউ যেন কারো উপর জুলুম না করে এবং কাউকে যেন বিপদের মধ্যে না ফেলো। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের অভাব অভিযোগ পূরণ করে, আল্লাহ্‌ তার সমস্ত প্রয়োজন পূরণ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের কষ্ট দূর করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তার কষ্ট দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ-ক্রটি গোপন করে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তা'আলা তার সব ক্রটি-বিচ্যূতিকে গোপন রাখবেন।”
(আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮১৩, হাদীসটি সহীহ)

এ ছাড়াও ইসলাম বিভিন্নভাবে মানব সেবার প্রতি আমাদের উৎসাহীত করেছে, যা কোরআন-হাদীস সঠিকভাবে অধ্যয়ন করলে ঠিকই আমরা বুঝতে পারব।

এবার আসা যাক দুনিয়ার বেনিফিট প্রত্যাশী ব্যক্তির জবাবে। একজন সেবক অবশ্যই তার দুনিয়ার প্রাপ্য থেকেও বঞ্চিত হবে না। এখানে আমি মাত্র কয়েকটি পয়েন্টর উপর আলোচনা করছি। যেমন-

এক: অসহায়কে সাহায্য করলে তার মন সেবকের প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভরে যায়। আপনি দুনিয়ার সম্মান চান? অসহায়দের সাহায্য করেন। বিশ্বাস করেন এরা আপনাকে প্রভুর আসনে বসিয়ে আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে এবং আপনাকে সম্মান করবে।

দুই: আপনি অশান্তিতে ভুগছেন। মানসিক প্রশান্তির দরকার। আর্ত-পীড়িতদের সেবা করেন, মানব জাতির সেবা করেন। এতে করে মনে তো আনন্দের সঞ্চার হবেই, পাশাপাশি নিজেকে নিয়ে গর্ব করার সুযোগটিও পেয়ে যাবেন।

তিন: মানুষের বিপদ ঘোষণা দিয়ে আসে না। হঠাৎ করে কার কখন বিপদ আসে সেটা বলা কঠিন। মনে করেন অনাকাঙিক্ষত এমন এক বিপদের সম্মুখীন আপনিও হয়ে গেলেন। এবার আপনার পাশে মানুষ প্রয়োজন। আপনি তখন মানুষ পেতে চান? তাহলে আপনার বিপদ আসার পূর্বেই অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ান। এটাই হবে মানব সেবা এবং এতেই দুনিয়ার সব ধরনের মানুষের কল্যাণ।

আচ্ছা বুঝলাম মানব সেবা করতে হবে। এতক্ষণ তো শুধু এর কল্যাণ নিয়েই বকবক করলেন; কিন্তু সেবার ক্ষেত্রগুলো তো বললেন না? জ্বি, হ্যাঁ। আপনার আগ্রহ তৈরি হয়েছে তাহলে। আসুন মানব সেবার অসংখ্য ক্ষেত্রের মধ্যে কিছু ক্ষেত্র জেনে নিই-
 
এক:  ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকল মানুষের জাগতিক প্রয়োজনে এগিয়ে আসা।
দুই: নির্যাতিত হলে সাহায্য করা।
তিন: রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা এবং অবাঞ্ছিত কিছু না ফেলা।
চার: পথিককে রাস্তা পারাপারের সুযোগ দেয়া।
পাঁচ: অন্নহীনকে অন্নদান করা।
ছয়: বিপর্যস্ত মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসা।
ছয়: শীতার্তকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা।
সাত:  সকল ক্ষেত্রে দূর্বলকে সাহায্য করা।
আট: অসুস্থ ব্যক্তির সেবা শুশ্রূষা করা।
নয়: মৃত্যুবরণ করলে কাফন-দাফনে শরীক হওয়া ইত্যাদি।

মূল কথা হলো, ইসলাম মানুষের সেবা ও খেদমতে জন্য, সমাজের উপকারের জন্য, দেশ ও জাতির স্বার্থের জন্য নিজের যথাসর্বস্ব বিলিয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে। যাতে সমাজ থেকে অশান্তি ও অবজ্ঞা দূর হয়ে নেমে আসে সমাজজীবনে শান্তির ফাল্গুধারা। ইসলাম শুধু মানুষের সেবার প্রতিই উদ্বুদ্ধ করে না। আল্লাহর সব সৃষ্টির প্রতিই সেবাদানের ব্যাপারে উৎসাহীত ও অনুপ্রাণিত করে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সৃষ্টির সেবা করে তার সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফীক দান করুন। আমীন।

লেখক: শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক


শেয়ার করুন

Author:

0 coment rios:

You can comment here