Tuesday, November 22, 2022

ইবির জম্মদিনে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র্র্যালি উদযাপন

 


ইবির জম্মদিনে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র্র্যালি উদযাপন

আজ ২২'নভেম্বর ২০২২ ইসলামী ৪৪'' তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আল হাদিস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ সৈয়দ মাকসুদুর রহমান এর নেতৃত্বে এক আনন্দ রালি ইবি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। এবাপারে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ডঃ, সৈয়দ মাকসুদুল রহমান বলেন,

আজ ২২ নভেম্বর ২০২২ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাই । যারা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। যারা এ পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন তাদের জন্য দূআ করছি। সকলের সুখ শান্তি ও সুস্থতা কামনা করছি।সবুজ শ্যামল নয়াভিরাম মনমাতানো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে ।এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে দেশের ও বিশ্বের চাহিদার অনেক বিভাগ । এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে অনেক বিদেশী ছাত্র। ছাত্রদের জন্য আধুনিক বহুতল ছাত্র ও ছাত্রী হল। দেশের বৃহত্তম লাইব্রেরী। এছাড়া এখানে উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত আছে। আশা করছি অচিরেই এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু করা হবে। ইতোমধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের খ্যাতনামা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে ছাত্র - শিক্ষক ও গবেষণা আদান প্রদান করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।সবুজ গাছ ও ফুলবাগান ভরপুর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।ভর্তি প্রতিযোগিতা পরীক্ষাও বেশ কঠিন ।যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে তাদের সবাইকে ভালোভাবে প্রস্তুতি প্রয়োজন । স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠিত এই বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ও দেশের বাইরে সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মক্ষেত্রে অনেক অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা কর্ম এবং প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্মানজনক অবস্থান রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেশনজ্যাম নেই বলা যায়। আমরা আশাবাদী আন্তর্জাতিকভাবে এ বিশ্ববিদ্যালয় অল্প সময়ের মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান করতে পারবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতি ও অগ্রগতিতে আমরা আনন্দিত হই। আধুনিক বিশ্বের চাহিদা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এ বিশ্ববিদ্যালয় যুগান্তকারী তূমিকা পালন করবে এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বিশ্বব্যাপি অস্থিরতার মাঝে ছাত্রছাত্রীদের যে একাডেমিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে সে ব্যাপারে আমাদের ভাবতে হবে। উত্তরণের উত্তম কৌশল অবলম্বন করতে হবে। সব মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ পরিকল্পনা হোক ৪স৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অঙ্গীকার।আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন হোক এটাই আমাদের কামনা।


শেয়ার করুন

Author:

0 coment rios:

You can comment here