সর্বশেষ

Saturday, November 26, 2022

প্রফেসর ড. আবু হাফস মাহমুদ আল-ত্বাহান: ইলমুল হাদীসে তাঁর অবদান

প্রফেসর ড. আবু হাফস মাহমুদ আল-ত্বাহান: ইলমুল হাদীসে তাঁর অবদান

 



প্রফেসর ড. আবু হাফস মাহমুদ আল-ত্বাহান: ইলমুল হাদীসে তাঁর অবদান

 

 ।। প্রফেসর ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান।।

চেয়ারম্যান

আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

বাংলাদেশ

ভূমিকা(introduction),

বিংশ শতাব্দীর মধ্যেভাগে যে কয়েকজন মুহাদ্দিস ইলমুল হাদীসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন আবৃ হাফস মাহমুদ আল ত্বাহান তাদের মধ্যে অন্যতম। প্রায় একানব্বই বছরের অধিকাংশ সময় হাদীসের পঠন পাঠন এবং গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করে আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছেন।সিরিয়ার আলোপ্পের গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী আল্লাহ তাআলা খেদমত কবুল করেছেন।তাঁর উল্লেখযোগ্য  সর্বপ্রথম اصول التخريج و ودراسات الاسانيد উপর একটি একক, বিস্তৃত গ্রন্থ। এ ছাড়া   تيسير مصطلح الحديث গ্রন্থ টি বেশ গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আলোচ্য প্রবেন্ধ মাহমুদ আল ত্বাহান এর জীবনী ও ইলমুল হাদীসে অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

নাম ও পরিচিতি

(Name and contact )

আবু হাফস মাহমুদ বিন আহমদ বিন মাহমুদ আল ত্বাহান আল-নুয়াইমী । তাঁর বংশ আলে-বায়াতের সাথে সম্পর্কিত  হয়েছে। বংশের ধারাবাহিক  সূত্র আলী ইবনে আল-হুসেন হযরত ইবনে আলী ইবনে আবী তালিবের বংশ পর্যন্ত।

আবু হাফস মাহমুদ বিন আহমেদ আল-ত্বাহান আল-হালাবী আল-নুয়াইমী।

-Bab from the business of Aleppo, in 1935 AD, then moved to Manbij, then to Aleppo, and grew up in a religious family, and his father, Hajj Ahmad al-Tahan.

তিনি ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে আলেপ্পোর ব্যবসা  ছেড়ে বাব  জেলার মানবিজে আসেন, পরে স্থায়ীভাবে আলেপ্পো চলে আসেন। তিনি একটি ধর্মীয় পরিবারে বেড়ে ওঠেন এবং তাঁর বাবা  হলেন শাইখ আহমদ আল-ত্বাহান

 


তাঁর জন্ম ও লালন-পালন (His birth and upbringing )

তিনি ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে সিরিয়ার আলেপ্পোর শহরের আল-বাব জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।তারপর মনবিজে, পরে আলেপ্পোতে চলে আসেন এবং একটি ধর্মীয়  সম্ভ্রান্ত পরিবারে  জন্ম  ও বেড়ে ওঠেন । তাঁর বাবর নাম আহমদ আল-ত্বাহান। তিনি একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি ছিলেন।

আল-বাব আলেপ্পো থেকে ৩৮কিলোমিটার দূরে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্রের উত্তরের অংশে অবস্থিত একটি শহর।  শহরের মানুষ বাণিজ্য, শিল্প ও কৃষিতে কাজ করে এবং আল-বাব শহর সিরিয়ার বাকি শহরগুলিতে সব ধরণের পনির এবং দুধ রফতানি করে।  এবং এর ছেলেরা কামার কারুকাজের জন্য বিখ্যাত।

শিক্ষা জীবন

(Educational life)

তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শুরু করেন অল্প বয়সে। এ প্রতিষ্ঠানেরকিছু অংশ আল-বাব এবং কিছু অংশ মনবিজে অবস্থিত ছিল।তিনি শাইখ মুহাম্মদ নজিব খাইয়াতের সাথে তাহফীজ আল কুরআন স্কুলে পবিত্র কুরআন মুখস্থ করেন। তিনি আলেপ্পোর শরিআহআ উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় পবিত্র কুরআন মুখস্থ  করেন।

তিনি আলেপ্পোর  ইসলামী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এ ছাড়া ১৯৫৪ সালে তিনি Higher Secondary Education সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হন।।

তিনি ১৯৫৬সালে দামেস্ক ইউনিভার্সিটিতে শরিআহ অনুষদে ভর্তি হনএবং ১৯৬০খ্রিস্টাব্দে চার বছর অধ্যয়ন করে স্নাতক  সম্মান সমাপ্ত করেন।দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সময়  তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।  ১৯৬১ সালে অফিসার হিসাবে চাকুরিতে যোগাযোগ করেন।

তাঁর প্রসিদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ(His famous teachers )

তিনি সিরিয়া থেকে মিশর পর্যন্ত অসংখ্য মনীষীদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন। তিনি যাদের থেকে ইলমুল হাদীস সহ অন্যান্য জ্ঞান অর্জন করেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন-

*মনবিজে শাইখ জুমাহ আবু যাল্লাম।

  মাহমুদ আল তাহান মনবিজের শাইখ জুমাহ আবু যাল্লাম  (মনবিজের মুফতি) এর সাথে তাঁর সম্পর্ক সম্পর্কে বলেছেন,

  “আমি ১৯৪৬থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত মানবিজে তিন বছর কাটিয়েছি, তারপরে আমি আলেপ্পোর খুসরভিয়া  প্রসিদ্ধ বিদ্যালয় ভর্তি হয়েছি।

আমি  আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন যারা সেখানে আছেন তাদের সাথে দেখা করতে  গেছি। সেই বছরগুলিতে আমি শাইখ জুমাহ ফিকহও ব্যাকরণ এবং(ألفية ابن مالك) আলফিয়াতু ইবনে মালিক অধ্যয়ন করেছি।

 *শাইখ আবদুল আল-ওহাব সুক্কর তাঁর নিকট তিনি আকীদাহ অধ্যয়ন করেন।

, শাইখ মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের জয়ন আল-আবিদিন তাঁর নিকট তিনি আকীদাহ অধ্যয়ন করেন।

শাইখ আল-ফকিহ মুহাম্মদ আল-মালাহ

(علم المصطلح والبلاغة والفقه الحنفي)

*শাইখ  মুহাম্মদ নজিব খাইয়াত (علم القراءة)

*শাইখ আল-ফকিহ মুহাম্মদ সালকিনি(علم الصرف)

*শাইখ আল-ফকিহ এবং ভাষাতাত্ত্বিক  মুহাম্মদ আসাদ আবাজি

(, আলেপ্পোর মুফতি, (علم العروص),

*শাইখ ভাষাতত্ত্ববিদ মুহাম্মদ নাজি আবু সালিহ

*শইখ ভাষাতাত্ত্বিক আবদুল্লাহ হামাদ (علم الصرف)

মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের তাঁর শাইখদের মধ্যে:

*ড, মুহাম্মদ আবু যাহো (যিনিالحديث و المحدثين এর গ্রন্থকার)

,* শাইখ ড, মুহাম্মদ আল সামাহী


 প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ

(Dear colleagues)

------------   ---------

আলেপ্পোর শরিয়াআহ উচ্চ বিদ্যালয়ে তাঁর সহকর্মীদের মধ্যে ছিলেন

*: ড, আবদুল্লাহ মুহাম্মদ সালকিনি

* ড. মোহেব আল-দীন আহমদ আবু সালেহ

*শায়খ আবদুল আল-ওহাব রিহাবী

*শাইখ নাজম আল-দিন জয়ন আল-আবিদীন,

* শাইখ আবদুল হামিদ সালোহ আল-আরিহাবী

তাঁর ছাত্রবৃন্দ

(His famous students)

--------------------,---------    

তিনি সিরিয়া,রিয়াদ মদীনা,মিশর ও কুয়েতে অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের ইলম শিক্ষা দিয়েছেন।তাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন-

*ড,আবদুল রাজ্জাক আল-শাজি

*মুহাম্মদ আল-আওয়াদী

*অধ্যাপক ড,হোসাম এল দীন আফনেহ

ড. ওয়ালিদ আল-তাবতাবাi

ড..  ফাহাদ আল-খান্না

ড.নিহাদ ওবায়দ

কর্ম জীবন(His work life)

-------------------    ----              

তিনি মনবিজের জিয়ারা মসজিদ ইমাম ও খতীব ছিলেন।

এ ছাড়া আলেপ্পোর বেশ কয়েকটি মসজিদে ইমাম ও দাঈ হিসাবে কাজ করেছেন।

  অতঃপর তিনি সিরিয়ার  আল-হাফাহ ও লাত্তাকিয়ায় এবং আলেপ্পোর শরিয়াআহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এবং আলেপ্পোর অন্যান্য সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ইসলামী শিক্ষার শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন।

এবং ১৯৬৫খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি এ কার্যক্রম চালিয়ে যান।

অতঃপর তিনি মদীনার ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনে করেন।তিনি  ডক্টরাল ডিগ্রির জন্য আবেদন করেন এবং সুযোগ مصطاح الحديث হাদীসের উপর গবেষণার কাজ করেন।

সৌদি আরবে অবস্থানকালে তিনি ১৯৬৯ সালে স্নাতকোত্তর নিয়ে  পিএইচডি করেছিলেন, তাঁর গবেষণার ছিল এবং থিসিস ছিল না, পরে তিনি

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীআহ অনুষদ থেকে মুস্তাশাহুল হাদীসে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

গবেষণার শিরোনাম হলো

:" الحافظ الخطيب البغدادي وأثره في علوم الحديث 

তাঁর গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন শাইখ আবদুল-ওহাব আবদুল-লতিফ,  এবং তাঁর মৃত্যুর পরে শাইখ মুহাম্মদ আল-হাকিম, তাকে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়। এবং ডঃ মুহম্মদ আল-সামাহী কমিটির সদস্য ছিলেন ।

১৯৮১ সালে তাঁর গবেষণা থিসিস গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হয়।এরপরে তিনি রিয়াদের ইমাম ইবনে সউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীআহ অনুষদ  আসেন সেখানে সাত বছর অতিবাহিত করেন।

 যেখানে তিনি তাঁর বিখ্যাত বইটি

"تيسير مصطلح الحديث

১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে হাদীসের পরিভাষা উপর", যা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত সহজেভাবে বোধগম্য হয়।

রিয়াদের ইমাম সউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ থেকে  তার এক-দু'বছর পরেই

أصول التخريج ودراسة الأسانيد

করেন।

গ্রন্থ রচনা (Writing books)

-----  --      -------   

1-حجية السنة ودحض الشبهات التي تثار حولها

2-مفهوم التجديد بين السنة النبوية وأدعياء التجديد

3-معجم المصطلحات الحديثية

4-تيسير مصطلح الحديث

5-أصول التخريج ودراسة الأسانيد

6-تحقيق الجامع لأخلاق الراوي وآداب السامع، للخطيب البغدادي: أحمد بن علي (ت463)

,7-حقيق المعجم الأوسط للطبراني

তারপরে তিনি ১৯৮২-২০০৫ সালে  মোট ২৩ বছর কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীআহ ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ থ স্নাতকোত্তর  ডিগ্রি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে সেখানে স্নাতকোত্তর হাদীসের এর পরিভাষার(علوم الحيث)  এর অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

 সত্তর বছর বয়সে তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

তারপর সিরিয়ার আলেপ্পোর আল-শাহবা শহরে আসেন।  কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকাকালীন, তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য হাদীস ব্যাখ্যার ও হাদীস বিভাগের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন । এ ছাড়াবেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রীদেরও  গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন।বর্তমান তিনি সিরিয়া অবস্থান করেন।

ইন্তেকাল:

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিশিষ্ট মুহাদ্দিস, লেখক মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান ৮৭বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ

ড. মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান রহিমাহুল্লাহ ইন্তেকাল করায় আমরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানাই। এক লোক বার্তায় আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড, সৈয়দ মাকসুদুর রহমান বলেন, তার মত্যুতে বিশ্ব হারালো একজন ইসলামিক গবেষক ।উসুলুল হাদীসের‌পন্ডিত হিসেবে বর্তমান বিশ্বে অন্যতম।আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে তার রচিত অনেক মূল্যবান গ্রন্থ থেকে পাঠদান করা হয়।

আল্লাহ তাআলা তার খেদমত কবুল করুন ও জান্নাতের সুবিশাল নিয়ামত দিয়ে ধন্য করুন,আমীন।

উপসংহার(conclusion)

উপরের আলোচনা থেকে আমরা এ কথা বলতে পারি যে,আবূ হাফস মাহমুদ আল ত্বাহান একজন প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস ছিলেন।তাঁর রচিত গ্রন্থ বিশ্ব ব্যাপী অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান করা হয়।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে তাঁর রচিত গ্রন্থ সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত।।আল্লাহ তাআলা তাঁর খেদমত কবুল করুন, আমীন।

 

Friday, November 25, 2022

 শোক ও সমবেদনা

শোক ও সমবেদনা

 


শোক ও সমবেদনা

--------------

 বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিশিষ্ট মুহাদ্দিস, লেখক মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান ৮৭বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন 


اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ

  তিনি উলুমুল হাদীসের সবচেয়ে বিখ্যাত সমসাময়িক বইয়ের লেখক।

  শাইখ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান (রহ,) কে হাদীসের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়, কারণ তিনি তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় নবীর সুন্নাহ এবং এর উলুমুল হাদীসের খেদমত করে কাটিয়েছিলেন । তিনি বেশ কয়েকটি কিতাব লিখেছেন, যা দ্বারা পণ্ডিতরাউপকৃত হয়েছেন। 

  জন্ম ও লালন-পালন তাঁর নাম: আবু হাফস মাহমুদ বিন আহমেদ বিন মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান 

আল-নুয়াইমি, এবং তিনি লেভান্টের আলেপ্পোর অধিবাসী। তিনি ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে আলেপ্পোর আল-বাব জেলায় জন্মগ্রহণ করেন, তারপরে মানবিজে, তারপর আলেপ্পোতে চলে যান এবং একটি ধর্মীয় পরিবারে বেড়ে ওঠেন।

 তাঁর পিতা ছিলেন আহমদ আত-ত্বহ্হান । তিনি আল-বাবে ও মানাবিজে প্রাথমিক পর্যায় অধ্যয়ন করেছেন। এরপর তিনি আলেপ্পোর শরিয়া হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন । ১৯৫৪খ্রিস্টাব্দে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।  

১৯৫৬ সালে দামেস্ক ইউনিভার্সিটির শরিয়া অনুষদে যোগদান করেন এবং সেখানে চার বছর অধ্যয়ন করার পর ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে স্নাতক হন। শাইখ মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান মদীনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন, ।তারপর তিনি ১৯৭১খ্রিস্টাব্দে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ দীনঅনুষদ থেকে উলুমুল হাদীস উপর ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন, যার শিরোনাম ছিল: “আল- হাফিজ আল-খতিব আল-বাগদাদী এবং উসুলুল হাদীসে তার প্রভাব,” এবং তাঁর সম্মানিত তত্ত্বাবধায়ক আবদেল ওয়াহহাব আবদেল লতিফ,( রহ,) ।


বিশ্ববিখ্যাত উলুমূল হাদীসের সকল শাখায় যার বিচরণ ও অবদান 

 ড. মুহাম্মাদ মাহমুদ আত-ত্বহ্হান রহিমাহুল্লাহ ইন্তেকাল করায় আমরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানাই। এক লোক বার্তায় আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড, সৈয়দ মাকসুদুর রহমান বলেন, তার মত্যুতে বিশ্ব হারালো একজন ইসলামিক গবেষক ।উসুলুল হাদীসের‌পন্ডিত হিসেবে বর্তমান বিশ্বে অন্যতম।আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে তার রচিত অনেক মূল্যবান গ্রন্থ থেকে পাঠদান করা হয়।


আল্লাহ তাআলা তার খেদমত কবুল করুন ও জান্নাতের সুবিশাল নিয়ামত দিয়ে ধন্য করুন,আমীন।

Wednesday, November 23, 2022

 ইবিতে আল হাদীসের আলোকে মরণোত্তর জীবন: একটি পর্যালোচন শীর্ষক সেমিনার আনুষ্ঠিত।

ইবিতে আল হাদীসের আলোকে মরণোত্তর জীবন: একটি পর্যালোচন শীর্ষক সেমিনার আনুষ্ঠিত।


 ইবিতে আল হাদীসের আলোকে মরণোত্তর জীবন: একটি পর্যালোচন শীর্ষক সেমিনার আনুষ্ঠিত।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আল হাদীসের আলোকে মরণোত্তর জীবন: একটি পর্যালোচন শীর্ষক সেমিনার আনুষ্ঠিত হয়েছে। (বুধবার২৩শে নভেম্বর বেলা বেলা ১১টায় আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে ধর্মতত্ব অনুষদের সভাকক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষেরপিএইচ.ডি, গবেষক জনাব "মুস্তাফিজুর রহমান।

প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এইচ.এ.এন.এম এরশাদ উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ও পিএইচডি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড.মো: শফিকুল ইসলাম

সেমিনারে আলোচক ছিলেন আল হাদীস এ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড.আ,খ,ম ওয়ালী উল্লাহ ও অধ্যাপক ড. আ,হ,ম নুরুল ইসলাম। এসময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে আখিরাতের সার্বিক বিষয়ের আলোচনা করা হয়। প্রফেসর ড নাছির উদ্দীন মিযী, প্রফেসর ড মো মুজাহিদুর রহমান, প্রফেসর ড আ আছম তরিকূল ইসলাম উমর

উমূক্ত আলোচনা করেন।সঞ্চালনা করেনপ্রফেসর ড মো অলি উল্লাহ। সাবেক ডিন প্রফেসর ড্ আ,খম ওয়ালী উল্লাহ,প্রফেসর ড্ মো:জাকির হুসাইন,প্রফেসর ড্ মো; আকতার হোসেন,আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড্ এ বি এম জাকির হোসেন।

,আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, গবেষকবৃন্দ ও কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন,আমরা বিশ্বমানের গবেষণা করতে বদ্ধ্পরিকার।

আশা করি এটা মৌলিক এ উচুমানের একটি গবেষণা হবে।পরিশেষে বিভাগের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানান।

Tuesday, November 22, 2022

 ইবির জম্মদিনে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র্র্যালি উদযাপন

ইবির জম্মদিনে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র্র্যালি উদযাপন

 


ইবির জম্মদিনে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র্র্যালি উদযাপন

আজ ২২'নভেম্বর ২০২২ ইসলামী ৪৪'' তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক বিভাগের উদ্যোগে আল হাদিস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ সৈয়দ মাকসুদুর রহমান এর নেতৃত্বে এক আনন্দ রালি ইবি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। এবাপারে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ডঃ, সৈয়দ মাকসুদুল রহমান বলেন,

আজ ২২ নভেম্বর ২০২২ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাই । যারা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। যারা এ পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন তাদের জন্য দূআ করছি। সকলের সুখ শান্তি ও সুস্থতা কামনা করছি।সবুজ শ্যামল নয়াভিরাম মনমাতানো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে ।এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে দেশের ও বিশ্বের চাহিদার অনেক বিভাগ । এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে অনেক বিদেশী ছাত্র। ছাত্রদের জন্য আধুনিক বহুতল ছাত্র ও ছাত্রী হল। দেশের বৃহত্তম লাইব্রেরী। এছাড়া এখানে উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত আছে। আশা করছি অচিরেই এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু করা হবে। ইতোমধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের খ্যাতনামা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে ছাত্র - শিক্ষক ও গবেষণা আদান প্রদান করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।সবুজ গাছ ও ফুলবাগান ভরপুর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।ভর্তি প্রতিযোগিতা পরীক্ষাও বেশ কঠিন ।যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে তাদের সবাইকে ভালোভাবে প্রস্তুতি প্রয়োজন । স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠিত এই বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ও দেশের বাইরে সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মক্ষেত্রে অনেক অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা কর্ম এবং প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্মানজনক অবস্থান রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেশনজ্যাম নেই বলা যায়। আমরা আশাবাদী আন্তর্জাতিকভাবে এ বিশ্ববিদ্যালয় অল্প সময়ের মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান করতে পারবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতি ও অগ্রগতিতে আমরা আনন্দিত হই। আধুনিক বিশ্বের চাহিদা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এ বিশ্ববিদ্যালয় যুগান্তকারী তূমিকা পালন করবে এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বিশ্বব্যাপি অস্থিরতার মাঝে ছাত্রছাত্রীদের যে একাডেমিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে সে ব্যাপারে আমাদের ভাবতে হবে। উত্তরণের উত্তম কৌশল অবলম্বন করতে হবে। সব মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ পরিকল্পনা হোক ৪স৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অঙ্গীকার।আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন হোক এটাই আমাদের কামনা।

 ইবির গৌরবের ৪৪তম বার্ষিকী

ইবির গৌরবের ৪৪তম বার্ষিকী

 


ইবির গৌরবের ৪৪তম বার্ষিকী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশের অগ্রগতির ৪৪তম বার্ষিকীর আমাদের অঙ্গীকার হোক

-------------------------------------------------------------

২২ নভেম্বর ২০২২ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাই । যারা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন  তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।  যারা  এ পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন তাদের জন্য দূআ করছি। সকলের সুখ শান্তি ও সুস্থতা কামনা করছি।সবুজ শ্যামল নয়াভিরাম মনমাতানো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া বাংলাদেশে ।এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে দেশের ও বিশ্বের চাহিদার অনেক বিভাগ । এই বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে অনেক বিদেশী ছাত্র। ছাত্রদের জন্য আধুনিক বহুতল ছাত্র ও ছাত্রী হল। দেশের বৃহত্তম লাইব্রেরী। এছাড়া এখানে উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত আছে।  আশা করছি অচিরেই এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ চালু করা হবে। ইতোমধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের খ্যাতনামা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাথে ছাত্র - শিক্ষক ও গবেষণা আদান প্রদান করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।সবুজ গাছ ও ফুলবাগান  ভরপুর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।ভর্তি প্রতিযোগিতা পরীক্ষাও বেশ কঠিন ।যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসে তাদের সবাইকে ভালোভাবে প্রস্তুতি প্রয়োজন । স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে  প্রতিষ্ঠিত এই বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের  ও দেশের বাইরে সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মক্ষেত্রে অনেক অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা কর্ম এবং প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে  সম্মানজনক অবস্থান রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেশনজ্যাম নেই বলা যায়। আমরা আশাবাদী আন্তর্জাতিকভাবে এ বিশ্ববিদ্যালয় অল্প সময়ের মধ্যে শক্তিশালী অবস্থান করতে পারবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতি ও অগ্রগতিতে আমরা আনন্দিত হই। আধুনিক বিশ্বের চাহিদা এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে এ বিশ্ববিদ্যালয় যুগান্তকারী তূমিকা পালন করবে এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বিশ্বব্যাপি অস্থিরতার মাঝে ছাত্রছাত্রীদের যে একাডেমিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে সে ব্যাপারে আমাদের ভাবতে হবে। উত্তরণের উত্তম কৌশল অবলম্বন করতে হবে। সব মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ পরিকল্পনা হোক ৪স৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর  অঙ্গীকার।আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন হোক এটাই আমাদের কামনা।

Monday, November 21, 2022

 দুইটি পরিবারের পাশে -আর-রাহমান  এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে

দুইটি পরিবারের পাশে -আর-রাহমান এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে


 দুইটি পরিবারের পাশে -আর-রাহমান  এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে

সমুজ সায়মনমানবতার_কল্যানে_আমরা_আপনাদের_পাশে ....

২০ নভেম্বর ২০২২

আর-রাহমান এডুকেশন ট্রাস্ট বাংলাদেশ এর সম্মানিত চেয়ারম্যন  এলাহাবাদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওঃ মুখলিছুর রহমান নিজ হাতে গৃহ নির্মাণের জন্য বিশ্বনাথ থানার  খাজাঞ্চী ইউনিয়নের তেলিকোনা নিবাসী জনাব মঈন উদ্দীনের গৃহ নির্মাণের জন্য ২৫হাজার টাকা হস্তান্তর করেন ।

এবং বিশ্বনাথ থানার দেওকলস ইউনিয়নে  একজন অসহায় মহিলার টিউমার অপারেশন চিকিৎসা জন্য আর-রাহমান এডুকেশন ট্রাস্ট বাংলাদেশ শাখার  স্থায়ী সদস্য  আবিদুর রহমান জন্য  ১৫হাজার টাকা প্রদান করেন। 

আর- রহমান ট্রাষ্ট ইউকের পরিচালক আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন  ইমাম মাওলানা নূরুর রহমান  সহ সংশ্লিষ্ট সকল কে মোবারক বাদ  জানিয়েছেন।

বৃটেন ও সারা বিশ্ব প্রবাসী অনেক পরিবার আর-রাহমান এডুকেশন ট্রাষটের কার্যক্রমকে যারা আমাদের উৎসাহ প্রদান করে যাচ্ছেন আল্লাহ তাদের কে উওম প্রতিদান করুন এবং আর ও পরিচিত অপরিচিত মুসলিম উম্মাহ ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে গরিব ও অসহায়দের মাঝে দান করার তাওফিক দান করুন।

Sunday, November 13, 2022

 তোমরা এই দেশ এবং জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামীদিনের এই দেশ তথা সমাজের পরিচালক। আমরা চাই তোমরা সফল হয়ে আমাদের অত্র বিভাগের সুনাম বয়ে আন। পিতামাতা এবং এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করো। সুনাগরিক হও, এবং সর্বোপরি তোমরা শিক্ষিত হও, ভালো মানুষ হও।

তোমরা এই দেশ এবং জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামীদিনের এই দেশ তথা সমাজের পরিচালক। আমরা চাই তোমরা সফল হয়ে আমাদের অত্র বিভাগের সুনাম বয়ে আন। পিতামাতা এবং এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করো। সুনাগরিক হও, এবং সর্বোপরি তোমরা শিক্ষিত হও, ভালো মানুষ হও।

 


তোমরা হয়তো বিভাগে ফার্স্ট সেকেন্ড কিংবা থার্ড হতে পারবে না, কিন্তু চাইলেই সবাই ভালো মানুষ হতে পারো।


-প্রফেসর ডক্টর সৈয়দ মকসুদুর রহমান

আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স ২০২০-২১ সেশনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষদ ভবনের চতুর্থ তলায় ৪০৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আল-হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এইচ এ এন এম এরশাদুল্লাহ।

এ সময় বিদায়ী শিক্ষার্থী এনামুল হক নাবিলের সঞ্চালনায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন বিভাগটির শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, অধ্যাপক ড. মোঃ সেকেন্দার আলী,অধ্যাপক ড. মোঃ মইনুল হক, অধ্যাপক ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন,অধ্যাপক ড. মোঃ আকতার হোসেন, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুল ইসলাম,অধ্যাপক ড. মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, অধ্যাপক ড. মোঃ মুজাহিদুর রহমান ও অধ্যাপক ড. আবু তুরাব মোঃ কেরামত আলী।

এছাড়াও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখেন মুতাসিম বিল্লাহ, আবুল হাসান ও আল আমিনসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।কোন বিভাগের সবচাইতে বড় অবদান সেটা হল ছাত্র-ছাত্রীরা যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে দারুণ দারুণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ডক্টর সৈয়দ মাকসুদুর রহমান বিদায় ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলেন-

 তোমরা এই বিভাগের ইতিহাসে একটা অংশ হয়ে থাকবে। 

তোমাদের এই বিদায় শুভ হোক এই আশা করি। তোমরা নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে সুষ্ঠুভাবে মেনে চলবে।

 তোমরা এই দেশ এবং জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামীদিনের এই দেশ তথা সমাজের পরিচালক। আমরা চাই তোমরা সফল হয়ে আমাদের অত্র বিভাগের সুনাম বয়ে আন। পিতামাতা এবং এলাকাবাসীর মুখ উজ্জ্বল করো। সুনাগরিক হও, এবং সর্বোপরি তোমরা শিক্ষিত হও, ভালো মানুষ হও।

 তোমরা হয়তো ক্লাসে ফার্স্ট সেকেন্ড কিংবা থার্ড হতে পারবে না, কিন্তু চাইলেই সবাই ভালো মানুষ হতে পারো। আর তোমরা ভাল পড়লেই একটা দেশ তথা একটি সমাজ তথা একটি রাষ্ট্র ভালো হবে।

  মনে রেখো সফল হওয়ার জন্য দুটি জিনিস প্রয়োজন তার একটি হচ্ছে “ স্বপ্ন বা মানসিক ইচ্ছে” আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে “কঠোর পরিশ্রম” এই দুটো জিনিস থাকলে তোমাদের কেউ আটকাতে পারবেনা। তোমরা সফল হবেই।